চিকিৎসা করার জন্য পাশে দাঁড়ালো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

23rd February 2022 5:28 pm জেলা
চিকিৎসা করার জন্য পাশে দাঁড়ালো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা


চিকিৎসা করার জন্য পাশে দাঁড়ালো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

রঙ্গিলা খাতুন, মুর্শিদাবাদ 

লালগোলা ছাইতনী  গ্রামের আফতাব হোসেন ৬০ বছরের বৃদ্ধ পেশায় ছিল  দিনমজুর পরিবারের সদস্য ছিল স্ত্রী এক পাগল ছেলে ও এক মেয়ে  চারজন নিয়েই পরিবার নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা।
 আফতাব হোসেনের পেটে টিউমার হাওয়াই সংসার পুরো অসহায় হয়ে পড়েছে ,কলকাতা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা করাচ্ছেন, তার পক্ষে সংসার চালানো এবং তার চিকিৎসা করানোর জন্য তার পক্ষে সম্ভব নয়, কলকাতা পিজি হাসপাতালের ডাক্তার বাবু বলেছেন অপারেশন না করালে বাঁচানো সম্ভব না, আফতাব হোসেনের পরিবার তা শুনে চিন্তায় রাত দিন কান্না করে, কি করে স্বামীকে বাঁচানো যায়,
 স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য জানান - আমাদের কাছে সাহায্য চেয়ে  ছিলেন আফতাব হোসেনের পরিবার, আফতাব হোসেনের চিকিৎসার জন্য লালগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারি সন্দীপ সেন কে পুরো বিষয়টা রবিউল ইসলাম জানাই এবং আফতাব হোসেনের জন্য সাহায্য করে, এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন, তারপর রবিউল ইসলাম সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পোস্ট করে আফতাব হোসেনের জন্য সাহায্য চাই চিকিৎসার জন্য, সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট দেখে সকলেই সাহায্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা সত্ত্বেও বিশেষ করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জলঙ্গি থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য সাঈদ এবং সংস্থার সদস্য রবিউল ইসলাম, মামুন, মিলে আফতাব হোসেনের পরিবারকে অপারেশনের জন্য ১৫০২০ টাকা তুলে দেওয়া হয় চিকিৎসার জন্য, এই টাকা পেয়ে কলকাতার  রওনা দেই পরিবার অপারেশনের উদ্দেশ্যে। 





Others News

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল


মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই অসুস্থ পরীক্ষার্থী!  হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করল সরকার 

 

  • ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল অর্পিতা পাল 
  • দীর্ঘদিন পর খাতা কলমে শুরু হলো মাধ্যমিক, পরিদর্শনে বিডিও 

 

রঙ্গিলা খাতুন, কান্দি


রাজ্যের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জুড়ে আজ থেকে শুরু হলো মাধ্যমিক পরীক্ষা। দীর্ঘ দুই বছর করোনা মহামারিতে অনলাইনে ক্লাস, ও পরীক্ষার পর এবার অনলাইন মুড কাটিয়ে জীবনের প্রথম সব চাইতে বড় পরীক্ষায় বসলেন সকল মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীরা।করোনা মহামারীর কারণে বিগত বছরগুলোর রেকর্ড ভেঙে, এই বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন,ছাত্র ছাত্রীরা। এই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন কান্দি বিভিন্ন স্কুল উঠে এলো এমনই চিত্র। প্রথম দিন পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয় অভিভাবক ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। এদিন বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করে। কান্দির বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কড়া সতর্কতার মধ্যে শুরু হয় পরীক্ষা।


     করোনা বিধি মেনে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি মহকুমার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে। করোনা কালে বন্ধ ছিল স্কুল, ব্যাঘাত ঘটে পড়াশোনার। সব ঝড় ঝাপটা সামলে জীবনের বড় পরীক্ষায় সন্তানরা। কোভিডকালের পরে এই প্রথম বড় পরীক্ষা ঘিরে অভিভাবকরাও ছিলেন উচ্ছ্বসিত। কান্দির বিভিন্ন স্কুলগুলির গেটের বাইরে দেখা যায় অভিভাবকদের ভিড়ও।
    মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ্য হয়ে পড়ে  রুপালি খাতুন নামে পাঁচথুপি গার্লস বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তার পরীক্ষা সেন্টার পড়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা ব্লকের বাহাদুরপুর নিমা হাই স্কুলে। পরীক্ষা শুরুর শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরীক্ষা দিতে অক্ষম হয়ে পড়লে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে প্রথমে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করা হয় এবং রাজ্য সরকার তথ্য মধ্য শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন বাহাদুর পুর নিমা হাইস্কুলে শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে।  ছাত্রীটিকে হাসপাতালের একটি কক্ষে সুনিশ্চিত নিরাপত্তা ও শিক্ষকের উপস্থিতিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ায় প্রশাসন এবং বোর্ডকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন পরীক্ষার্থীর পরিবার।
     অন্যদিকে ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে নজির সৃষ্টি করল অর্পিতা পাল। সদ্যোজাত শিশুকে কোলে নিয়ে অর্পিতা পাল এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নকে জাগ্রত করল। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা ব্লকের আন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ দিনের বাচাকে কোলে নিয়েই জীবনের প্রথম পরিক্ষা দিতে কুলি মহা বিদ্যাপীঠে আসে।অতিমারির পর পরীক্ষা দিতে পেয়ে খুশি অর্পিতা সহ তার পড়িবার।


পরীক্ষা শুরুর পর জীবন্তির উদয়চাঁদ হাইস্কুল সহ একাধিক স্কুল পরিদর্শন করেন কান্দি বিডিও নীলাঞ্জন মন্ডল।

পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে হয় তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ।