৬, ০, ৬, ০, ৬, ৬— পর আসিফের কাছেই ক্ষমা চাইছেন পাকিস্তানের মানুষ

31st October 2021 7:49 pm আন্তর্জাতিক
৬, ০, ৬, ০, ৬, ৬— পর আসিফের কাছেই ক্ষমা চাইছেন পাকিস্তানের মানুষ


৬, ০, ৬, ০, ৬, ৬— পর আসিফের কাছেই ক্ষমা চাইছেন পাকিস্তানের মানুষ

চেতনা নিউজ

১৯ বলে ৭ ছক্কা! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবার পাকিস্তানের জার্সিতে আসিফ আলীর ‘ছক্কাবৃষ্টি’র ছোট্ট প্রমাণ।

অথচ এই আসিফই একসময় ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের হাসি–তামাশার পাত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ট্রল করার প্রধান ‘আকর্ষণ’ ছিলেন তিনি। ভাগ্যও তাঁর সহায় ছিল না।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা নিশ্চয়ই মনে আছে? ওয়াহাব রিয়াজের বলে থার্ড ম্যানে ক্যাচ তুলেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ক্যাচটা নিতে পারেননি আসিফ। সে সময় গ্যালারিতে এক ভক্ত উঠে দাঁড়িয়ে কোমরে হাত রেখে বিরক্ত মুখে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলেন আসিফ আলীর দিকে। টেকো মাথার সেই পাকিস্তানি ভক্তের ছবি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।
বারবার ভাইরাল হয়েছেন সেই খেলোয়াড়ও। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের জার্সিতে অভিষেক হলেও তিনি আন্তর্জাতিক মানের নন, মানসিকভাবে দুর্বল, শুধু ক্যাচ ছাড়েন—এসব কটূক্তিমাখা ট্রলের শিকার হতে হয় তাঁকে। কিন্তু দিন কি সবার সমান যায়?

পরিশ্রম ও নিবেদনে দিন পাল্টানো যায়। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসিফ আলী তার উদাহরণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ভক্তরা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ভক্তরাটুইটার
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের শেষ দুই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন আসিফ। একেবারে পাকিস্তানের বাঁচা–মরার মুহূর্তে নামতে হয়েছে। দুবারই ছক্কাবাজিতে পাকিস্তানকে জিতিয়েছেন আসিফ। এ পথে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯ বলে মেরেছেন ৭ ছক্কা।

কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১২ বলে ২৪ রানের সমীকরণ মিলিয়েছেন এক ওভারে, চার ছক্কায়—নাসের হুসেইনের ভাষায়, ‘সিক্স, ডট, সিক্স, ডট, সিক্স, সিক্স!’ হার্শা ভোগলের টুইট, ‘উন্মত্ত মার।’ আর বেন স্টোকস নামটা রাখার পরামর্শ দিয়ে টুইট করেন, ‘রিমেম্বার দ্য নে
১৯ বলে ৭ ছক্কা! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবার পাকিস্তানের জার্সিতে আসিফ আলীর ‘ছক্কাবৃষ্টি’র ছোট্ট প্রমাণ।

অথচ এই আসিফই একসময় ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের হাসি–তামাশার পাত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ট্রল করার প্রধান ‘আকর্ষণ’ ছিলেন তিনি। ভাগ্যও তাঁর সহায় ছিল না।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা নিশ্চয়ই মনে আছে? ওয়াহাব রিয়াজের বলে থার্ড ম্যানে ক্যাচ তুলেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ক্যাচটা নিতে পারেননি আসিফ। সে সময় গ্যালারিতে এক ভক্ত উঠে দাঁড়িয়ে কোমরে হাত রেখে বিরক্ত মুখে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলেন আসিফ আলীর দিকে। টেকো মাথার সেই পাকিস্তানি ভক্তের ছবি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।

 

বারবার ভাইরাল হয়েছেন সেই খেলোয়াড়ও। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের জার্সিতে অভিষেক হলেও তিনি আন্তর্জাতিক মানের নন, মানসিকভাবে দুর্বল, শুধু ক্যাচ ছাড়েন—এসব কটূক্তিমাখা ট্রলের শিকার হতে হয় তাঁকে। কিন্তু দিন কি সবার সমান যায়?

পরিশ্রম ও নিবেদনে দিন পাল্টানো যায়। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসিফ আলী তার উদাহরণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ভক্তরা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ভক্তরাটুইটার
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের শেষ দুই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন আসিফ। একেবারে পাকিস্তানের বাঁচা–মরার মুহূর্তে নামতে হয়েছে। দুবারই ছক্কাবাজিতে পাকিস্তানকে জিতিয়েছেন আসিফ। এ পথে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯ বলে মেরেছেন ৭ ছক্কা।

কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১২ বলে ২৪ রানের সমীকরণ মিলিয়েছেন এক ওভারে, চার ছক্কায়—নাসের হুসেইনের ভাষায়, ‘সিক্স, ডট, সিক্স, ডট, সিক্স, সিক্স!’ হার্শা ভোগলের টুইট, ‘উন্মত্ত মার।’ আর বেন স্টোকস নামটা রাখার পরামর্শ দিয়ে টুইট করেন, ‘রিমেম্বার দ্য নেইম!’

পাশার দান যেভাবে পাল্টে যায়, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আসিফ আলীর ক্যারিয়ারও সেভাবে পাল্টে গেল। পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে আসিফ আলী এখন নায়ক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ‘ফিনিশার’ তো বলা হচ্ছেই, পাশাপাশি জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘মানি হাইস্ট’–এর আদলে তাঁকে ‘মানি হাইস্ট গাই’ও বলা হচ্ছে। পাওয়ার হিটিংয়ে প্রতিপক্ষের মুঠো থেকে তিনি যেভাবে ম্যাচ ‘ডাকাতি’ করছেন, তাতে নামটা ভালোই মানানসই।

Alhumdulillah, 3/3!

Afghanistan fought well. A brilliant display of bowling from our team, especially Shaheen Shah Afridi and Imad. Fakhar was just remarkable and the awesome finish from Asif Ali was indeed the cherry on top. All eyes set on the next one!

 

অথচ এই আসিফই একসময় ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের হাসি–তামাশার পাত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ট্রল করার প্রধান ‘আকর্ষণ’ ছিলেন তিনি। ভাগ্যও তাঁর সহায় ছিল না।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা নিশ্চয়ই মনে আছে? ওয়াহাব রিয়াজের বলে থার্ড ম্যানে ক্যাচ তুলেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ক্যাচটা নিতে পারেননি আসিফ। সে সময় গ্যালারিতে এক ভক্ত উঠে দাঁড়িয়ে কোমরে হাত রেখে বিরক্ত মুখে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলেন আসিফ আলীর দিকে। টেকো মাথার সেই পাকিস্তানি ভক্তের ছবি ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।

 

বারবার ভাইরাল হয়েছেন সেই খেলোয়াড়ও। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের জার্সিতে অভিষেক হলেও তিনি আন্তর্জাতিক মানের নন, মানসিকভাবে দুর্বল, শুধু ক্যাচ ছাড়েন—এসব কটূক্তিমাখা ট্রলের শিকার হতে হয় তাঁকে। কিন্তু দিন কি সবার সমান যায়?

পরিশ্রম ও নিবেদনে দিন পাল্টানো যায়। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসিফ আলী তার উদাহরণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ভক্তরা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ভক্তরাটুইটার
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের শেষ দুই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন আসিফ। একেবারে পাকিস্তানের বাঁচা–মরার মুহূর্তে নামতে হয়েছে। দুবারই ছক্কাবাজিতে পাকিস্তানকে জিতিয়েছেন আসিফ। এ পথে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯ বলে মেরেছেন ৭ ছক্কা।

কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১২ বলে ২৪ রানের সমীকরণ মিলিয়েছেন এক ওভারে, চার ছক্কায়—নাসের হুসেইনের ভাষায়, ‘সিক্স, ডট, সিক্স, ডট, সিক্স, সিক্স!’ হার্শা ভোগলের টুইট, ‘উন্মত্ত মার।’ আর বেন স্টোকস নামটা রাখার পরামর্শ দিয়ে টুইট করেন, ‘রিমেম্বার দ্য নেইম!’

 

পাশার দান যেভাবে পাল্টে যায়, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আসিফ আলীর ক্যারিয়ারও সেভাবে পাল্টে গেল। পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে আসিফ আলী এখন নায়ক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ‘ফিনিশার’ তো বলা হচ্ছেই, পাশাপাশি জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘মানি হাইস্ট’–এর আদলে তাঁকে ‘মানি হাইস্ট গাই’ও বলা হচ্ছে। পাওয়ার হিটিংয়ে প্রতিপক্ষের মুঠো থেকে তিনি যেভাবে ম্যাচ ‘ডাকাতি’ করছেন, তাতে নামটা ভালোই মানানসই।

Alhumdulillah, 3/3!

Afghanistan fought well. A brilliant display of bowling from our team, especially Shaheen Shah Afridi and Imad. Fakhar was just remarkable and the awesome finish from Asif Ali was indeed the cherry on top. All eyes set on the next one! 🙌👏🤲 #WhyNotMeriJaan pic.twitter.com/u13FKuAKxP

— Babar Azam (@babarazam258) October 29, 2021
তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীরা এখানেই থেমে নেই। আসিফ আলী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সমালোচকদের ভুল প্রমাণের পর সমর্থকেরাও বেশ অনুশোচনায় ভুগছেন। হাজার হোক আসিফকে নিয়ে তো কম ট্রল করা হয়নি!

অনলাইনে তাই আসিফ আলীর প্রতি ক্ষমা চেয়ে একটি ফরম ছেড়েছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীরা—‘আসিফ আলী অ্যাপোলজি ফরম।’ এই ফরম পূরণের মাধ্যমে তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীরা।
 

ফরমের বাঁ পাশে ওপরে আসিফ আলীর ছবি ও নাম। নিচে তাঁর প্রতি অতীতে বাজে আচরণের কিছু কারণ লেখা। তিনি ফুরিয়ে গেছেন—সংবাদমাধ্যমের এ কথা বিশ্বাস করেছিলাম, শুধু তাঁর পরিসংখ্যান দেখেছি, ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ঘৃণা করি, ক্রিকেট বুঝি না—এমন কিছু কথা লিখে সেগুলোর পাশে টিক চিহ্ন দেওয়ার জায়গা রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ এসবের মধ্যে যেসব কারণে আসিফ আলীকে নিয়ে ঠাট্টা করেছেন, সেখানে টিক চিহ্ন দিতে হবে। এরপর আরও একটি ঘর পূরণ করতে হবে—যেখানে লেখা, আসিফ আলীর প্রতি সম্মান দেখাব, তাঁকে নিয়ে বাজে কথা বলব না।





Others News

শত বছর ধরে সম্প্রীতির বার্তা বহন করছে মিত্র বাড়ির দুর্গাপুজো

শত বছর ধরে সম্প্রীতির বার্তা বহন করছে মিত্র বাড়ির দুর্গাপুজো


শত বছর ধরে সম্প্রীতির বার্তা বহন করছে জীবন্তি মিত্র বাড়ির দুর্গাপুজো 

জৈদুল সেখ, কান্দি

কান্দি থানার জীবন্তি মুসলিম প্রধান গ্রামে সম্প্রীতি বার্তা দিয়ে একশো সতেরো বছর ধরে স্বমহিমায় পুজো হয়ে আসছে মিত্র পরিবারে। কবির ভাষায় "হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?" কেবলমাত্র হিন্দুরাই নয়, লক্ষীনারায়নপুর, উদয়চাঁদপুর, দূর্গাপুরসহ ছয়টি গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সেকেন্দার শেখ, সফিউর রহমান, তফেজুলরা মিত্র পরিবারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পুজোর সামাজিক অনুষ্ঠান করছেন বছরের পর বছর। তাঁদের চিন্তাভাবনা, ফুটে ওঠে শিল্পকাজের মধ্যে দিয়ে। মিত্রর পারিবারিক পুজো হলেও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানু‌ষের যোগদানে হয়ে উঠেছে সার্বজনীন। তাঁরা সমাজকে দিতে চান সম্প্রীতির বার্তা.. 
   এই পৃথিবীকে ভালোবাসি....
    এক নীড়ে থাকি পাশাপাশি।


           উল্লেখ্য আজ থেকে প্রায় একশো সতেরো বছর আগে এই পুজো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রথিতযশা ডাক্তার তারক নাথ মিত্র ও তার স্ত্রী আতর মোহিনী দাসী। এই পুজো প্রচলনের পিছনেও একটি ইতিহাস আছে সেই গল্প শোনালেন মিত্র পরিবারের সদস্য অনিব্রত মিত্র--  জীবন্তি থেকে কিছুটা দূরে মহলন্দী গ্রামে তারকনাথ বাবুর শ্বশুরবাড়ি সেখানে প্রতিবছর দুর্গাপূজা হত, কোন এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ওই বছর পুজো করা সম্ভব হয়নি তখন তারকনাথ বাবু ও তার স্ত্রী সিদ্ধান্ত নেন ওই পূজোর সেই বছর তাদের বাড়িতেই হবে।
পরের বছর শ্বশুরবাড়িতে আবার পুজো আরম্ভ হলেও তারকনাথ বাবু তার পুজো বন্ধ করেননি এই ভাবেই মিত্র বাড়ির পুজোর প্রচলন হয়।
     এই পুজোর বিশেষত্ব হলো পূজার সমস্ত রীতি-নীতি নিয়ম মেনে নিষ্ঠার সহিত এই পুজো হয়। শাক্ত মতে পুজো হলেও কোন প্রাণী বলি দেয়া হয় না। তার পরিবর্তে বাড়িতে বানানো একটি বিশেষ ছানাবড়া, সেটাই বলি দেওয়া হয়। অতীতে সন্ধি পূজার সময় বন্দুক কাটানো হত কিন্তু বর্তমান শব্দবাজির আইনে তা বন্ধ করা হয়েছে। এই পুজোর আর একটি বিশেষত্ব হলো গ্রামের এবং আশেপাশের অঞ্চলের হিন্দু-মুসলিম সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ এই পুজোয় অংশগ্রহণ তো করেন এবং নবমীর দিন বিশেষ অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন মিত্র পরিবার। মুসলিম এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাধ্যমে তাদের সম্মানও জানানো হয়। যদি করোনা পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কভিড বিধি মেনে আপ্যায়ন করা হয়। সারাবছর মিত্র বাড়ি ফাঁকা থাকলেও পুজোর সময় সমস্ত আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবে বাড়ি ভরে ওঠে যারা বাইরে থাকেন তারাও পুজোর চার দিন এখানে চলে আসেন।
       পূজা মন্ডপ এর বাইরে ছোটখাটো গ্রাম্য মেলা বসতে দেখা যায়। এই মেলার বিশেষত্ব হল মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা দোকানের যেমন পসরা সাজায় তেমনি মেলায় ভিড় দেখা যায় ছয়টি মুসলিম  গ্রামের কচিকাঁচা থেকে বড়দের। নিয়ম মেনে দশমীর দিনেই পাশের বাকিনালাতে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। বর্তমান সদস্যা দীপ্তি মিত্র, মৃত্যুঞ্জয় মিত্র, অনিব্রত মিত্র। অনিব্রত মিত্র বলেন " সত্যি কথা বলতে আমরা যে মুসলিম গ্রামে বাস করি তা কখনোই মনে হয় না। কারণ আমাদের পরিবারকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিজের ভাইয়ের মতো ভালোবাসেন "