মুর্শিদাবাদে ১০৮ টি চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দিলেন পুলিশ

7th June 2021 10:07 pm জেলা
মুর্শিদাবাদে ১০৮ টি চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দিলেন পুলিশ


 মুর্শিদাবাদে ১০৮ টি চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দিলেন পুলিশ 

জৈদুল সেখ, কান্দি 

পুলিশ প্রশাসনে তৎপরতায় হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করল পুলিশ। কান্দি, খড়গ্রাম, সালার সহ মুর্শিদাবাদে ১০৮ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।   
কেবলমাত্র দুয়ারে সরকার নয়! একেবারে দুয়ারে এবার পুলিশও! 
মুর্শিদাবাদের কান্দি, সালার এবং খড়গ্রাম থানার পুলিশের অভিনব অভিযান করে চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে এবং অভিযোগকারীদের বাড়িতে গিয়ে চুরি বা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। সোমবার সকালে নজিরবিহীন এই অভিযান লক্ষ্য করা গেল কান্দি থানার আই সি সুভাষচন্দ্র ঘোষ, খড়গ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কার্তিক মাঝি এবং সালার থানার ওসি ইন্দ্রনীল মহান্তের নেতৃত্বে।


 
  পুলিশ জানিয়েছে গত তিন মাস ধরে কান্দি মহকুমা ছাড়াও মুর্শিদাবাদের একাধিক থানাতে মোবাইল ফোন কারোর পকেট থেকে নয়তো কারোর বাড়ি থেকে চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে থানায় এবং সেই অভিযোগে মোতাবেক পুলিশ অভিযান চালালে চুরি যাওয়া সেই মোবাইল গুলিকে উদ্ধার করে বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 
কান্দি থানায় চারজনের, খড়গ্রাম থানায় আটজনের, সালার থানায় পাঁচজনের এবং ডোমকল মহকুমায় ২৬ জনের তাছাড়া জিয়াগঞ্জ সহ মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ১০৮ জনের মোবাইল উদ্ধার করে একেবারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাদের মোবাইল হারিয়ে গিয়েছিল, সেই মোবাইল মালিকের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া হয়। 
কান্দি থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ জানান " চুরি যাওয়া মোবাইল ও উদ্ধার করা সম্ভব যদি মানুষ থানায় সঠিক তথ্য দিয়ে অভিযোগ জানায়"
কান্দি থানার অন্তর্গত চৈতন্য পুরের বাসিন্দা সুখচাঁদ সেখ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে বলে
" আমি মোবাইল পেয়ে খুশি তো বটেই তার সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আত্মবিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গেল। আমি অনুরোধ করব যারা মোবাইল হারিয়েছেন তারা অবশ্যই থানাতে অভিযোগ করবেন "





Others News

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল


মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই অসুস্থ পরীক্ষার্থী!  হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করল সরকার 

 

  • ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল অর্পিতা পাল 
  • দীর্ঘদিন পর খাতা কলমে শুরু হলো মাধ্যমিক, পরিদর্শনে বিডিও 

 

রঙ্গিলা খাতুন, কান্দি


রাজ্যের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জুড়ে আজ থেকে শুরু হলো মাধ্যমিক পরীক্ষা। দীর্ঘ দুই বছর করোনা মহামারিতে অনলাইনে ক্লাস, ও পরীক্ষার পর এবার অনলাইন মুড কাটিয়ে জীবনের প্রথম সব চাইতে বড় পরীক্ষায় বসলেন সকল মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীরা।করোনা মহামারীর কারণে বিগত বছরগুলোর রেকর্ড ভেঙে, এই বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন,ছাত্র ছাত্রীরা। এই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন কান্দি বিভিন্ন স্কুল উঠে এলো এমনই চিত্র। প্রথম দিন পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয় অভিভাবক ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। এদিন বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করে। কান্দির বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কড়া সতর্কতার মধ্যে শুরু হয় পরীক্ষা।


     করোনা বিধি মেনে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি মহকুমার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে। করোনা কালে বন্ধ ছিল স্কুল, ব্যাঘাত ঘটে পড়াশোনার। সব ঝড় ঝাপটা সামলে জীবনের বড় পরীক্ষায় সন্তানরা। কোভিডকালের পরে এই প্রথম বড় পরীক্ষা ঘিরে অভিভাবকরাও ছিলেন উচ্ছ্বসিত। কান্দির বিভিন্ন স্কুলগুলির গেটের বাইরে দেখা যায় অভিভাবকদের ভিড়ও।
    মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ্য হয়ে পড়ে  রুপালি খাতুন নামে পাঁচথুপি গার্লস বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তার পরীক্ষা সেন্টার পড়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা ব্লকের বাহাদুরপুর নিমা হাই স্কুলে। পরীক্ষা শুরুর শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরীক্ষা দিতে অক্ষম হয়ে পড়লে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে প্রথমে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করা হয় এবং রাজ্য সরকার তথ্য মধ্য শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন বাহাদুর পুর নিমা হাইস্কুলে শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে।  ছাত্রীটিকে হাসপাতালের একটি কক্ষে সুনিশ্চিত নিরাপত্তা ও শিক্ষকের উপস্থিতিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ায় প্রশাসন এবং বোর্ডকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন পরীক্ষার্থীর পরিবার।
     অন্যদিকে ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে নজির সৃষ্টি করল অর্পিতা পাল। সদ্যোজাত শিশুকে কোলে নিয়ে অর্পিতা পাল এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নকে জাগ্রত করল। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা ব্লকের আন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ দিনের বাচাকে কোলে নিয়েই জীবনের প্রথম পরিক্ষা দিতে কুলি মহা বিদ্যাপীঠে আসে।অতিমারির পর পরীক্ষা দিতে পেয়ে খুশি অর্পিতা সহ তার পড়িবার।


পরীক্ষা শুরুর পর জীবন্তির উদয়চাঁদ হাইস্কুল সহ একাধিক স্কুল পরিদর্শন করেন কান্দি বিডিও নীলাঞ্জন মন্ডল।

পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে হয় তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ।