মুর্শিদাবাদে এই প্রথম প্রশাসনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণের জন্মদিন পালন
জৈদুল সেখ, কান্দি
গত বছর ৫ ই জুন কান্দি প্রশাসন এবং পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি- বহরমপুর রাজ্য সড়কের রাস্তার দুই ধারে কান্দি থেকে জীবন্তি পর্যন্ত প্রায় দশ হাজারেরও বেশি চারাগাছ লাগিয়েছিলেন। কেবলমাত্র এই শিশু বৃক্ষরোপণ নয়, চারাগাছ গুলোর বড়ো করে তোলার জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তৎকালীন কান্দির আই সি অরূপ কুমার রায় বলেছিলেন

" আমরা মহা সমারোহে বৃক্ষরোপণ করি ঠিকিই কিন্তু সেগুলোকে দেখাশুনা করে বড়ো করে তোলার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়না সুতরাং আমাদের সকলকেই চারাগাছগুলো যাতে সযত্নে বড়ো হয়ে উঠে তার দায়িত্ব নিতে হবে। সবচেয়ে বড়ো কথা সাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের জন্মস্থান যিনি প্রকৃতির গাছপালাকে সন্তানসম ভাবতে ভালোবাসতেন, আমাদেরও তেমনি ভালবাসে এই গাছগুলোকে মানুষ করতে হবে। "
এই বক্তব্যের সমর্থনে বিডিও নীলাঞ্জন মন্ডল বলেছিলেন
" অরূপ বাবু খুব দামি কথা বলেছেন কথা দিচ্ছি প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে যত্ন নেওয়া হবে। "
আজ সেই বৃক্ষরোপণের এক বছর পূর্ণতা পেয়েছে।
গাছগুলো আজ অনেকটাই বেড়ে উঠেছে। তাই কান্দি প্রশাসন এবং পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ্য উদ্যোগে মুর্শিদাবাদ জেলায় এই প্রথম কেক কেটে পালিত হলো বৃক্ষরোপণ জন্মদিন পালন।

গত কাল বিশ্ব পরিবেশ দিবস থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, রবিবার বিকেলে কভিড বিধি মেনে জন্মদিন পালনের মধ্য দিয়ে আরো একশোটি নতুন বৃক্ষরোপণ করা হলো। বর্তমান কান্দি থানার আই সি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন
" এই উদ্যোগকে কেবলমাত্র সাধুবাদ নয়, এই মহতী উদ্যোগ যে সারা বাংলাকে পথ দেখাবে। বর্তমানে অক্সিজেনের যেভাবে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে এইভাবে উদ্যোগ নিলে তার অনেকটাই চাহিদা পুরণ করা যাবে। "
এই উদ্যোগে খুশি এলাকার পরিবেশ প্রেমিকে থেকে সাধারণ মানুষ। এই মহতী উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা কান্দি বিডিও নীলাঞ্জন মন্ডল, আই সি সুভাষচন্দ্র ঘোষ, যদিও গতবারের আই সি অরূপ কুমার রায় অন্য থানার থাকায় উপস্থিত না থেকেও শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন এবং উপস্থিত ছিলেন কান্দী পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি প্রার্থ প্রতীম সরকার প্রমুখ্য।