অক্সিজেন নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির পাশে দাঁড়ালো বড়ুঞার রেড ভলেন্টিয়ার্স
জৈদুল সেখ, বড়ুঞা
করোনা মহামারীতে বদলে দিয়েছে মানুষের জীবন। নিত্যদিনের জীবন চর্চা থেকে অভ্যাস। কাজ হারিয়েছে মানুষ! পড়েছে খাদ্যের অভাব! কিন্তু এই অতি মহামারীতে মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়েছে অক্সিজেন। ধনী থেকে দারিদ্র্য অনেকেই অক্সিজেনের অভাবে ছুটছে এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে। কেউ পেয়েছে কেউ বা না পেয়ে স্বাস কষ্টে মারা গেছে! হসপিটালে পড়েছে অক্সিজেনের আকাল। এই মহামারীতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ এমনকি রাজনীতি ভুলে মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী। এমনই এক জ্বলন্ত উদাহরণ মুর্শিদাবাদের কান্দি মহাকুমার বড়ুঞার রেড ভলেন্টিয়ার্স।
গতকাল সন্ধ্যা সাতটার সময় রেড ভলেন্টিয়ার্সের সদস্য আবু সালেকে মোবাইলে ফোন করে জিয়াউল হক বলেন যে
" আমার পিতার খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, আপনাদের রেড ভলেন্টিয়ার্স থেকে একটি অক্সিজেন সিলান্ডারের ব্যবস্থা করে দিলে বাবাকে হয়তো বাঁচানো যাবে! "
কথাটা শোনার পরেই রেড ভলেন্টিয়ার্সের সদস্য আবু সালেক, বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী, মাইনুল হাসান, মিল্টন, সুফলরা প্রস্তুত হয়। উল্লেখ্য সেই সময় চলছিল ঝড়-বৃষ্টি সেই ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে বড়ুঞার গোপীপুর গ্ৰামের কোভিড পজিটিভ রুগীর বাড়িতে অক্সিজেন চালিয়ে দেন। তার অক্সিজেন মাত্রা ছিল ৭৬ এর নীচে।
সেই অসুস্থ রুগী আর কেউ নন, বড়ঞা এক নম্বর অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি এবং কলকাতা কর্পোরেশন এর সরকারি কর্মচারী সংগঠনের বামফ্রন্টের বিরোধী দল নেতা সাধন মোল্লা।

বড়ুঞার রেড ভলেন্টিয়ার্সের সম্পাদক আবু সালেক জানান
" লকডাউন থেকেই খাদ্য থেকে অক্সিজেন মানুষের বিভিন্ন সমস্যায় আমরা পাশে থেকেছি। তবে আমাদের সবচেয়ে ভালো লাগছে যে আমরা বিরোধী নেতাকে সাহায্য করতে পেরেছি "
তার সঙ্গে সঙ্গে আরও জানান বড়ঞা ব্লকের সকল মানুষের কাছে আমাদের অনুরোধ আপনারা সাহায্য হাত বাড়িয়ে দিন। এখনও অনেক মেডিক্যাল সরঞ্জাম কিনার আছে সেগুলো কিনতে পারলে বড়ঞা রেড ভলেন্টিয়ার্সের কাজ আরো দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাবে বলে আবেদন জানিয়েছেন।