পশ্চিমবঙ্গের করোনায় মৃত্যুর জন্য দায়ী বিজেপি কান্দির সভায় বললেন ফিরহাদ হাকিম
জৈদুল সেখ, কান্দী
মুর্শিদাবাদের ৬৮ কান্দী বিধানসভার সভা পাল্টা সভার লড়াই গত বুধবার জোট প্রার্থীর সমর্থনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল কান্দীর মহলন্দী বাজারডাঙ্গা ময়দানে। একদিন পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অপূর্ব সরকারের সমর্থনে কলকাতার মেয়রের একই মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হলো।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্বলন্ত রৌদ্রে মধ্যেই বিভিন্ন গ্রামের মানুষ সভায় আসে, বিশেষ করে গোষ্ঠীর মহিলাদের ভিড় বাড়তেই থাকে। এদিন কান্দিতে অপূর্বের সভায় কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন
"প্রতিদিন করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পিছনে বিজেপিই দায়ী, কারণ আপনারা জানেন পশ্চিমবঙ্গে আট দফা ভোটের কোনো কারণ ছিল না, কেবলমাত্র বিজেপি চক্রান্তের কারনে আট দফা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম।"
প্রসঙ্গত করোনায় আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক ওরফে মন্টু বিশ্বাসের। বুধবার রাতে তাঁর অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তড়িঘড়ি কলকাতার হাসপাতারে স্থানান্তরিত করা হয়। শেষ রক্ষা হল না। সেখানেই মৃত্যু হল রেজাউলের। এই ঘটনায় শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে।
তার পরেই অধীরকে বিজেপির দালাল বলে কটাক্ষ করে বলেন শুভেচ্ছা সঙ্গে রাতে যোগাযোগ করে আর দিনে বামেদের সঙ্গ মিছিলে হাটে এদের থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে থাকার কথা বলেন। একধাপ এগিয়ে গিয়ে মোদীর উদ্দেশ্যে বলেন
" ওর কাছে সিবিই আছে, ইডি আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে, কিন্তু আমাদের কাছে দিদি আছে। "
শীতলকুচির জোড়পাটকি এলাকায় ১২৬ নম্বর বুথে সিআইএসএফ-এর গুলিতে একসঙ্গে ৪ জনের নিহত হওয়ার ঘটনায় বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু জেরা করার আবেদন জানান কারণ হিসাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেন।
ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আবু তাহের খান, প্রার্থী অপূর্ব সরকার ডেভিড, রাজীব হোসেন, বাপী সরকার প্রমুখ্য