কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি বিলের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ জেলা লালে লাল

25th September 2020 7:22 pm দেশ
কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি বিলের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ জেলা লালে লাল


কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি বিলের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ জেলা লালে লাল 

জৈদুল সেখ, মুর্শিদাবাদ 

কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সারা ভারত কৃষক সভা পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা করেছিল সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে রাস্তায় প্রতিবাদ নামার। সেইমতো আাজ ২৫শে সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারের আনা কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সারা ভারত কৃষক সভার পক্ষ থেকে সকাল থেকেই বহরমপুর, ডোমকল, জলঙ্গী, সালার, কান্দী, লালবাগ, নবগ্রাম এককথায় মুর্শিদাবাদ জুড়েই লাল ঝান্ডা হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমে কৃষক বিলের বিরোধিতা করলেন, কোথায় মোদির কুশপুত্তলিকা পুড়ে রাস্তা অবরোধ, কোথাও বা রাস্তায় অনশন, কোথায় বিরাট মিছিল করে বামফ্রন্টের শ্রমিক সংগঠন।


ফলে চাপে পড়ে শাসক দল। সংসদে পাশ হওয়া কৃষি বিলের বিপক্ষে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে বামেদের বিদ্রোহকে দমাতে প্রশাসনিক তৎপরতা তৃণমূল কংগ্রেস দেখায় কিনা তা নিয়ে চর্চা চলেছে।

 এই প্রতিবাদে ছাত্র এবং ডি ওয়াই এফ আই যুবকদের বিশেষ ভুমিকার দেখা গেছে  অবরোধের জেরে তীব্র কোথাও কোথাও  যানজটের সৃষ্টি হয় পরে অবশ্য যুব ফেডারেশন এর কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে হাত লাগাই যানজট পরিষ্কার করার জন্য।





Others News

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে গোকর্ণের স্নেহা। বাড়ি ফেরাতে কাতর আবেদন পরিবারের।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে গোকর্ণের স্নেহা।  বাড়ি ফেরাতে কাতর আবেদন পরিবারের।


ডাক্তারি পড়তে ইউক্রেনে আটকে কান্দির স্নেহা! বাড়ি ফেরানোর কাতর আবেদন পরিবারের

 

রঙ্গিলা খাতুন, কান্দি 

বাবা মায়ের একটাই চিন্তা মেয়ে কবে বাড়ি ফিরবে! ইউক্রেনের গোলাবারুদে সবথেকে বিপাকে পড়েছেন সেদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা।চিন্তিত কান্দির গোকর্ণ পরিবার। ডাক্তারি পড়তে গিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে পড়েছে কান্দির গোকর্ণ গ্রামের ছাত্রী স্নেহা দাস। ভয়ঙ্কর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন তার পরিবারের লোকেরা। কবে ফিরবে? কীভাবে ফিরবে? সেই আশায় তাকিয়ে রয়েছেন তার পরিবার। 
    উল্লেখ্য মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার অন্তর্গত গোকর্ণের পানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা স্নেহা দাস। পিতা সাধন দাস গৃহশিক্ষক, মা শম্পা দাস। গোকর্ণ এন জি গার্লস হাইস্কুলের মেধাবী ছাত্রী ২০১৩ সালে মাধ্যমিক এবং তারপর গোকর্ণ প্রসন্নময়ী হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা করে ডাক্তারি পড়াশোনার জন্য ইউক্রেনের পলতভা স্টিট মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হোন। কভিডের জন্য অনলাইনে ক্লাস চললেও, গত মাস থেকে অফলাইনে ঠিকমতো পড়াশোনা হচ্ছিল। 
        স্নেহা দাস সংবাদ মাধ্যমে জানান " গত বুধবার থেকে কলেজের ক্লাস বন্ধ হয়েছে। রুশবাহিনার দাপটে ঘর বন্দী। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে ৫০০ কিমি দূরে পলতভা এলাকায় রয়েছি। সেখানে রুশ বাহিনীর তান্ডব কম তবুও আতঙ্কে রয়েছি। এমন বিপদে পড়ব দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। আমি দ্রুত বাড়িতে ফিরতে চাই। "
     এই মেধাবী ছাত্রীর জন্য চিন্তায় পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষক থেকে এলাকার বাসিন্দা।
      স্নেহার পিতা সাধন দাস বলেন " আমার দুই মেয়ে, বড়টা গত তিন বছর হলো ডাক্তারি পড়তে গিয়েছে। কখনো চিন্তা করিনি কিন্তু যুদ্ধের খবর শুনে রাতে ঘুম আসছে না! সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যাতে করে আমার মেয়েকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।"


     স্নেহার মা শম্পা দাস বলেন " যুদ্ধ হচ্ছে শুনেই মেয়ের জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে! গতকাল রাত্রে মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে, খুব চিন্তায় আছে। তবে মেয়ের দুজন সিনিয়ার বান্ধবী আছে তারা ওকে খুব সাহায্য করছেন। সরকার যেন আমার মেয়েকে বাড়িতে ফেরার ব্যবস্থা করে দেন "
     প্রসঙ্গত বাংলার অনেক পড়ুয়া যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে রয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্ন এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পড়ুয়াদের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর শুরু করেছেন।
     এ বিষয়ে স্নেহার কাকা প্রার্থ দাস বলেন " গতকাল নবান্নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তারা আশ্বাস দিয়েছেন লিষ্ট এবং দূরত্ব অনুযায়ী খুব তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে আনা হবে। "


    কেবলমাত্র স্নেহা আতঙ্কিত তাই নয় তার পরিবারের সকলেই আতঙ্কিত, চিন্তিত। এমতাবস্থায় কতদিনের মধ্যে ফিরবে সেদিকেই তাকিয়ে পরিবার।