সাইকেলে করে সবজি বিক্রি করা ছাত্রীকে মোটর বাইক উপহার পুলিশের, মানবতার নজীর

14th May 2020 3:55 pm রাজ্য
 সাইকেলে করে সবজি বিক্রি করা ছাত্রীকে মোটর বাইক উপহার পুলিশের, মানবতার নজীর


সাইকেলে করে সবজি বিক্রি করা ছাত্রীকে মোটর বাইক উপহার পুলিশের,  মানবতার নজীর 

চেতনা নিউজ 


সাইকেলে করে সবজি বিক্রি করা ছাত্রীকে মোটর বাইক উপহার দিলেন পুলিশ। দেশ জুড়ে করোনা মোকাবিলায় চলছে লকডাউন। এই অবস্থায় বন্ধ প্রায় সমস্ত কাজ। ফলে সংকটে পড়ছে দৈনিক রোজগেরে কর্মীরা। তাদের পক্ষে প্রতিদিন খাবার জোগাড় করা হচ্ছে মুশকিল। এই অবস্থায় ক্লাস ১২ এ পাঠরত এক ছাত্রী নজর কাড়লো পুলিশদের।

ঘটনাটি ঘটেছে আসামের ডিব্রুগড়ে। ছাত্রীর নাম জনমনি গগৈ। লক ডাউন পরিস্থিতির জন্য বন্ধ সমস্ত কাজ এবং পড়াশোনা। তাই এই সময় পরিবারের বোঝা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন এই ছাত্রী। তিনি সাইকেলে করে গ্রামে গ্রামে সবজি বিক্রি করে। পরিবারে কাজ করার মত সেরকম কেও নেই। তাই নিজেই কোমর বেঁধে রাস্তায় নেমেছেন। এই ছোট্ট মেয়ের কাজটি সকলের নজর কাড়ে। ডিব্রুগড় পুলিশ কর্তৃপক্ষ তার কথা ভেবে তাকে মোটর সাইকেল উপহার দেন।

জনমনী খুব খুশি হয় এই উপহারে। ডিব্রুগড় পুলিশ নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করে এই কথা জানিয়েছেন। সকলে প্রশংসা করেছেন এই কাজের জন্য। সত্যিই করোনা মোকাবিলায় প্রশাসন যেভাবে কাজ করছে তাদের কুর্নিশ জানানোর মতো।

 

Dibrugarh Police

@dibrugarhpolice

Janmoni Gogo sells vegetables on a bicylcle to fend for her family. Inspired by her self respect & guided by our visionary @DGPAssamPolice Sir's direction to transform ourselves from police force to facilitators of economy, DYSP HQ gifted the little entrepreneur a moped / bike


 









 

https://twitter.com/dibrugarhpolice/status/1259836102250074112?s=20





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।