সর্ব ভারতীয় স্তরে ডাক্তারি পরিক্ষায় মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথম কান্দি সন্তান অঙ্গন মন্ডল

4th November 2021 5:56 pm জেলা
সর্ব ভারতীয় স্তরে ডাক্তারি পরিক্ষায় মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথম কান্দি সন্তান অঙ্গন মন্ডল


সর্ব ভারতীয় স্তরে ডাক্তারি পরিক্ষায় মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথম কান্দি সন্তান অঙ্গন মন্ডল

জৈদুল সেখ, কান্দি 

সর্ব ভারতীয় স্তরে ডাক্তারি পরীক্ষা মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথম কান্দি রাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র অঙ্গন মন্ডল। কান্দি পেট্রোলপাম্প নিবাসী বাসিন্দা অঙ্গন মন্ডল বুধবার সর্ব ভারতীয় স্তরে রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে তাতে ৫৭০ রেঙ্ক করেছে প্রাপ্ত নম্বর ৭২০ মধ্যে ৬৮৬ নম্বর পেয়েছেন এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় সম্ভাব্য প্রথম স্থান অধিকার করেছেন অঙ্গন মন্ডল। উচ্চ মাধ্যমিকে এবছর ৪৮৫ নম্বর পেয়েছিলেন এবং তার এই সাফল্য খুশি কান্দি বাসী। মুর্শিদাবাদ জেলায় সম্ভাব্য প্রথম অঙ্গন মন্ডল ভবিষ্যতে বাইরে রাজ্যে ডাক্তারি নিয়ে পড়াশুনো করতে চাই শুধু তাই নয় সাধারণ মানুষের জন্য।
কার্ডিওলজি বা নিউরোলজি নিয়ে চিকিৎসা করতে চান। 
      রেজাল্ট প্রকাশের পরেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুভানুধায়ী ও সাধারণ মানুষ এসে শুভেচ্ছা বার্তা দিচ্ছেন অঙ্গন মন্ডলকে। পড়াশুনো পাশাপাশি ছবি আঁকতে যথেষ্ট পারদর্শী অঙ্গন মন্ডল। বাবা সুজন রঞ্জন মন্ডল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক  ও মা কৃষ্ণা মন্ডল গৃহকর্তী। তার এই সাফল্য খুশি পরিবারের সদস্যরা । বাবা পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হলেও দিনরাত ছেলেল জন্য সময় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিকে অঙ্ক, ফিজিক্স ও ক্যামিষ্ট্রি তে ৯৯ নম্বর পেয়েছিলেন উচ্চ মাধ্যমিকে। তবে শুধু সর্ব ভারতীয় ম্যাড্রাস আইআইটি, মুম্বই সিইবিএস (ভাবা অ্যাকোমেটিক পাওয়ার রিসার্চ) ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স কলকাতা সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে জাতীয় স্তরে মেডিক্যাল সাফল্য পর দিল্লি AIMS পড়াশুনো করার ইচ্ছে আছে বলে জানান।
      WBJEE এবং কেভিপিওয়াই তেও ভালো র‍্যাঙ্ক করেছে অঙ্গন । তবে লক্ষ্য ছিল একটাই, ‘নিট’ এ ভালো র‍্যাঙ্ক করে চিকিৎসক হওয়া। আর, স্বপ্ন ছিল এমস থেকেই এমবিবিএস পড়ার! সেই লক্ষ্যেই নিমগ্ন থেকে পড়াশোনা করেছে আদ্যন্ত মেধাবী ও মনোযোগী এই ছাত্র। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক বাবা তাঁকে উৎসাহ দিয়েছেন পড়াশোনার উপর নজর দিয়েছেন, পাশে থেকেছেন, ভালো রেজাল্ট করার জন্য যা যা ছেলের দরকার সব কিছুর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।সময় আর সাহচর্য দিয়েছেন মা কৃষ্ণা মন্ডল।বাবা একবাক্যে স্বীকার করলেন,
ছেলের এই সাফল্যে সর্বাধিক কৃতিত্ব প্রত্যেকেরই!এও বললেন, কয়েকজন গৃহ শিক্ষকের অবদান অনস্বীকার্য। ওকে আপাদমস্তক তৈরি করেছেন পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের গৃহ শিক্ষকরাই।  বাবা,-মা’র অনুপ্রেরণা নিয়েই, একজন মানব দরদী চিকিৎসক হয়ে উঠতে চায় অঙ্গন। কান্দীর এই তেজস্বী ছেলের সেই স্বপ্নপূরণের আলোকে একদিন আলোকিত হবেই চিকিৎসা জগৎ, বলছেন এই শহরের সমগ্র শিক্ষা জগৎ।





Others News

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল


মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই অসুস্থ পরীক্ষার্থী!  হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করল সরকার 

 

  • ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল অর্পিতা পাল 
  • দীর্ঘদিন পর খাতা কলমে শুরু হলো মাধ্যমিক, পরিদর্শনে বিডিও 

 

রঙ্গিলা খাতুন, কান্দি


রাজ্যের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জুড়ে আজ থেকে শুরু হলো মাধ্যমিক পরীক্ষা। দীর্ঘ দুই বছর করোনা মহামারিতে অনলাইনে ক্লাস, ও পরীক্ষার পর এবার অনলাইন মুড কাটিয়ে জীবনের প্রথম সব চাইতে বড় পরীক্ষায় বসলেন সকল মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীরা।করোনা মহামারীর কারণে বিগত বছরগুলোর রেকর্ড ভেঙে, এই বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন,ছাত্র ছাত্রীরা। এই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন কান্দি বিভিন্ন স্কুল উঠে এলো এমনই চিত্র। প্রথম দিন পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয় অভিভাবক ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। এদিন বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করে। কান্দির বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কড়া সতর্কতার মধ্যে শুরু হয় পরীক্ষা।


     করোনা বিধি মেনে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি মহকুমার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে। করোনা কালে বন্ধ ছিল স্কুল, ব্যাঘাত ঘটে পড়াশোনার। সব ঝড় ঝাপটা সামলে জীবনের বড় পরীক্ষায় সন্তানরা। কোভিডকালের পরে এই প্রথম বড় পরীক্ষা ঘিরে অভিভাবকরাও ছিলেন উচ্ছ্বসিত। কান্দির বিভিন্ন স্কুলগুলির গেটের বাইরে দেখা যায় অভিভাবকদের ভিড়ও।
    মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ্য হয়ে পড়ে  রুপালি খাতুন নামে পাঁচথুপি গার্লস বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তার পরীক্ষা সেন্টার পড়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা ব্লকের বাহাদুরপুর নিমা হাই স্কুলে। পরীক্ষা শুরুর শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরীক্ষা দিতে অক্ষম হয়ে পড়লে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে প্রথমে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করা হয় এবং রাজ্য সরকার তথ্য মধ্য শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন বাহাদুর পুর নিমা হাইস্কুলে শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে।  ছাত্রীটিকে হাসপাতালের একটি কক্ষে সুনিশ্চিত নিরাপত্তা ও শিক্ষকের উপস্থিতিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ায় প্রশাসন এবং বোর্ডকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন পরীক্ষার্থীর পরিবার।
     অন্যদিকে ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে নজির সৃষ্টি করল অর্পিতা পাল। সদ্যোজাত শিশুকে কোলে নিয়ে অর্পিতা পাল এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নকে জাগ্রত করল। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা ব্লকের আন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ দিনের বাচাকে কোলে নিয়েই জীবনের প্রথম পরিক্ষা দিতে কুলি মহা বিদ্যাপীঠে আসে।অতিমারির পর পরীক্ষা দিতে পেয়ে খুশি অর্পিতা সহ তার পড়িবার।


পরীক্ষা শুরুর পর জীবন্তির উদয়চাঁদ হাইস্কুল সহ একাধিক স্কুল পরিদর্শন করেন কান্দি বিডিও নীলাঞ্জন মন্ডল।

পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে হয় তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ।